মামলাটি কমান্ডিং অফিসার কর্নেল জ্যোতিমোহন সেনকে রিপোর্ট করা হয়। ঘটনাটি জানতে পেরে কর্নেল সিনেমা হলটি ঘিরে ফেলার নির্দেশ দিলেন। সব বদমাসদের হলের ভেতর থেকে টেনে বার করা হলো এবং তাদের নেতা কে ছিল জানেন? তৎকালীন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী প্রতাপ সিং কাইরনের ছেলে।
সব গুন্ডাদের অন্তর্বাস খুলে অমৃতসরের রাস্তায় প্যারেড করানো হলো এবং পরে সেনা ছাউনিতে নজরবন্দী করে রাখা হয়। পরেরদিন মুখ্যমন্ত্রী কাইরন ছেলেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কবল থেকে মুক্তির চেষ্টা করেন।
আপনি জানেন তারপর কি ঘটেছে?
মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িকে ভিআইপি গাড়ি হিসাবে ছাউনির ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীকে কর্নেলের সাথে দেখা করার জন্য সারা রাস্তা হাঁটতে বাধ্য করা হয়। ক্রুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী কাইরন পুরো ঘটনাটি নিয়ে অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু কে।
তথাকথিত ভারতরত্ন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু মুখ্যমন্ত্রী কাইরন কে কিছু জিজ্ঞাসা করার বদলে সেনা প্রধান জেনারেল থিমমাইয়ার কাছে এই ব্যাপারে জবাবদিহি চান।
জানেন থিমমাইয়া কি জবাব দিয়েছিলেন?
"আমরা যদি আমাদের নারীদের মর্যাদা রক্ষা করতে না পারি তাহলে আপনি কিভাবে আশা করেন যে আমরা আমাদের দেশের সম্মান রক্ষা করব?"
নেহেরু নির্বাক হয়ে গেলেন। এ ছিল একজন বীর সৈনিকের গল্প যিনি প্রধানমন্ত্রী কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ছিলেন।








No comments:
Post a Comment