ব্লাড ক্যানসারকে সম্পূর্ণ পরাজিত করে জীবনযুদ্ধে বিজয়ীর হাসি হেসে বাড়ী ফিরলেন হাওড়া জেলার বাগনানের বাঙ্গালপুরের নবম বর্ষীয় বালক ঔষনিক দাস। ছবিতে যে বাচ্চাটিকে দেখছেন, ঔষনিক দাস(বাবার নাম রবিন দাস) ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০২০ সালের ২৪ শে মে কলকাতার টাটা ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলো। সুদীর্ঘ এক বছর এক মাস পাঁচ দিন হাসপাতালের বেডে মারণ রোগের সাথে মরণপণ লড়াই করে জীবনযুদ্ধে বিজয়ী হয়ে সে আজ বাড়ী ফিরে এসেছে। মাঝখানে করোনায় এবং অন্যান্য আরো কিছু জটিল শারীরিক সমস্যার কারণে ব্লাড ক্যান্সারের নির্দিষ্ট চিকিৎসায় মাস তিনেক ব্যাঘাত ঘটেছিলো। কিন্তু কোন শারীরিক প্রতিকূলতা ঔষনিককে পরাজিত করতে সক্ষম হয় নি। তার মা বাবা, আত্মীয় পরিজন, প্রতিবেশী, পরিচিত ব্যক্তিদের এবং হিন্দু সংহতির কার্যকর্তাদের আজ অত্যন্ত আনন্দের দিন। ভর্তি হবার কয়েকদিনের মধ্যেই হিন্দু সংহতির কার্যকর্তারা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন এই পরিবারটির সঙ্গে।হিন্দু মাত্রেই আমাদের পরিজন, এই বোধের দ্বারা পরিচালিত হিন্দু সংহতির কার্যকর্তারা রবিন দাস এবং তার স্ত্রীকে কথা দিয়েছিলো যে আমরা সর্বতোভাবে তাদের পরিবারের পাশে থাকবো। একটি ইংরেজী সিনেমা Beyond the enemy line এর এক সৈনিককে শত্রু এলাকা থেকে উদ্ধার করে আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বাহিনী কম্যান্ডারের We will bring our boy back লাইনটির উদ্ধৃতি দিয়ে মাঝে একবার আমরা হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পোস্টও দিয়েছিলাম যে আমরা ঔষনিককে সুস্থ শরীরে বাড়ীতে ফিরিয়ে আনবো। অসুখটা এমন যে প্রচুর প্রচুর রক্তের প্রয়োজন। টাটা ক্যান্সার হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী (অনেক বেসরকারী হাসপাতালেই এই নিয়ম)যত বোতল রক্ত ওরা রোগীকে দেবে, ততজন রক্তদাতাকে ওদের ওখানে গিয়ে রক্ত দিতে হবে। গড়ে ৫ দিন পরপর এক বোতল করে রক্তের প্রয়োজন ছিলো। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে রবিন বাবুকে বলা হয়েছিলো যে আপনাদের আত্মীয়, বন্ধু, পরিজন মিলিয়ে যতটা পারেন রক্ত দেবেন।বাকি যত রক্ত লাগবে, সেটা দেবার দায়িত্ব আমাদের। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাচ্চাটির শরীরে মোট ৬০ বোতল রক্ত দেওয়া হয়েছিলো। তার মধ্যে ৩৯ বোতল রক্তের যোগান দিয়েছে হিন্দু সংহতির কার্যকর্তারা। সেটাও বেশীরভাগটা গতবারের সম্পূর্ণ লকডাউন চলাকালীন সময়ে। কোন কোনদিন ৫০/৫২ কিলোমিটার দূর থেকে বাইক চালিয়ে গিয়ে হিন্দু সংহতির কোন কার্যকর্তা রক্ত দিয়ে এসেছেন। আমরা অক্ষরে অক্ষরে আমাদের কথা রেখেছিলাম। হিন্দু সংহতির সঞ্জীবন প্রকল্পের (হিন্দু সমাজের জন্য চিকিৎসার প্রয়োজনে রক্তের চাহিদা মেটাবার প্রকল্প) মাধ্যমে ঔষনিকের জন্য রক্তের জোগানের পরিপূর্ণ ব্যবস্থা আমরা করেছিলাম। এছাড়াও রবিন দাসের একাউন্ট নম্বর দিয়ে আমরা আমাদের শুভানুধ্যায়ী, সমর্থকদের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন করেছিলাম। সেটাতে অনেকেই সাড়া দিয়েছিলেন।
Post Top Ad
Responsive Ads Here
Monday, June 28, 2021
Home
Unlabelled
ব্লাড ক্যান্সারকে পরাজিত করে বাড়ী ফিরলেন বাগনান এর নবম বর্ষের ঔষনিক দাস।
ব্লাড ক্যান্সারকে পরাজিত করে বাড়ী ফিরলেন বাগনান এর নবম বর্ষের ঔষনিক দাস।
Share This
About Santanu Mondal
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
Post Bottom Ad
Responsive Ads Here
Author Details
Templatesyard is a blogger resources site is a provider of high quality blogger template with premium looking layout and robust design. The main mission of templatesyard is to provide the best quality blogger templates which are professionally designed and perfectlly seo optimized to deliver best result for your blog.








আমরা সর্বদা হিন্দুদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো।।
ReplyDelete