হিন্দু বিবাহে কন্যা সম্প্রদান করা হয়। কন্যার পিতা কন্যাকে জামাতার হাতে সম্প্রদান করেন। হিন্দু সম্প্রদায়ে হৃদয়ের মূল্য অনেক! হিন্দু সম্প্রদায়ে কন্যার পিতা কন্যাকে বেদমন্ত্রে জামাতার হাতে সম্প্রদান করেন।
হৃদয় আবিষ্ট বেদমন্ত্রের বিবাহ মন্ত্র:-
যদ্যেত হৃদয়ং তব, তদস্তু হৃদয়ং মম।
যদিদং হৃদয়ং মম, তদস্তু হৃদয়ং তব।
আমার হৃদয় তোমার জন্য, তোমার হৃদয় আমার জন্য, আমাদের দুজনের মিলিত হৃদয় হোক ঈশ্বরের জন্য'।
তার মানে স্বামীই তার সকল দায়িত্ব নিয়ে নেন। তাই ধর্ম মতে কোন বিবাহ বিচ্ছেদ নেই। যদিও ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে বিবাহ বিচ্ছেদ আইনসিদ্ধ হয় যা কার্যকর করতে আদালতের আশ্রয় নিতে হয় । কারন বিচ্ছেদ সেখানেই সম্ভব যেখানে চুক্তি সম্পাদিত হয়। তাই হিন্দু আইনে স্ত্রী সারা জীবন স্বামীর কাছ থেকে সকলঅধিকার ভোগ করতে পারেন। স্বামীর সব কিছুই তার স্ত্রীর।
সংসারিক সকল সিদ্ধান্ত স্বামী ও স্ত্রীর যৌথ- সিদ্ধান্তে হয়ে থাকে। স্ত্রীকে সত্যিকার অর্ধাঙ্গী বলা হয় কেননা স্বামীর যে কোন বিষয়ে স্ত্রীর মত গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু বিধান আনুসারে। স্ত্রী উপস্থিতি ছাড়া স্বামী যজ্ঞ বা কোন ধর্মীয় কার্যাদি পরিপূর্ণ করতে পারেন না। এছাড়া একমাত্র হিন্দু ইতিহাসেই দেখা যায় অনেক মহান রাজা তাঁর স্ত্রীর নিকট থেকে সিধান্ত নিয়ে রাজ্যপরিচালনার মত কাজও করেছেন।








No comments:
Post a Comment